“অতিষ্ঠ গরম ও প্রকৃতির কথা”
~ ইসরাফিল এইচ. রূপক
চারপাশে আজ হাহাকার শুনি
গরম গরম গরম,
সূর্য মামা মানুষের উপর
রাগছে বুঝি চরম!
রাগের ঠেলায় ধরার বুকে
ছুঁড়ছে অগ্নিগোলা?
সেই গোলাতে নাজেহাল আজ
মানুষের পথচলা।
তাপাদাহে শরীর পোড়ে
ঘামে ভেজে অঙ্গ,
দূর দূরান্তে কাজ বা ঘোরার
স্বপ্ন হচ্ছে ভঙ্গ!
ঘর থেকে পা বাইরে ফেলতেই
লাগে ভীষণ ভয়!
অতিষ্ঠ এই গরম হাওয়ায়
কি জানি কি হয়!
শুধু কিন্তু মানুষ ই নয়
সকল প্রাণীকূল,
কাঠফাটা এই রৌদ্রেরই তাপ
দেয় ফুটিয়ে হুল!
প্রকৃতিকে দূষছে সবে
এমন কেন হয়?
এত গরম প্রাণীকুলের
কেমন করে সয়।
ঠান্ডা হাওয়া ক্যান বহে না
শহর নগর জুড়ে,
যেদিকেতে দেখি শুধু
দাবানলে পুড়ে!
প্রকৃতি কয় শোনো তবে
ওগো মানুষ ভাই,
গাছপালা সব কেটে ফেলছো
সেসব মনে নাই?
গাছ কাটিয়া লাকড়ি বানাও
বানাও ফার্নিচার,
উঁচু উঁচু দালান উঠাও
বন করে উজাড়!
নতুন করে আর লাগাও না
কাটতে পারো শুধু,
গাছ ছাড়া তো প্রকৃতি তোমার
হবেই মরু ধু ধু।
মরুর বুকে কে তোমাদের
অক্সিজেন বলো দিবে?
কে তোমাদের কার্বনডাইঅক্সাইড
শুষে টেনে নিবে ?
সুস্থ সবল আর স্বাভাবিক
জীবন যদি চাও,
প্রকৃতিকে গাছে গাছে
সবুজ করে দাও।
প্রতিদান স্বরূপ কয়েক’শ গুন
ফেরত পাবে উপহার,
ভোগ করতে যা পারবে তোমার
প্রজন্ম কয়েক হাজার।
( স্বর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত)