
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে সংঘটিত গণ–অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয় এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এ প্রেক্ষাপটে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সমাজ রূপান্তরকামী এই শিক্ষাবিদ। গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নাগরিক কমিটির ভূমিকা ও করণীয় নিয়ে তিনি প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সোহরাব হাসান
প্রথম আলো:নাগরিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অনেক সংগঠন আছে। তারপরও আপনারা ‘গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি’ নামে নতুন সংগঠন করলেন কেন?
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী: কারণ, অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটেছে এবং ছাত্র ও জনতার মধ্যে গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রত্যাশা জেগে উঠেছে। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এ সময়ে গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবি প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন গড়ে তোলা আবশ্যক। গণতান্ত্রিক অধিকার বলতে আমরা বুঝি—১. অধিকার ও সুযোগের সাম্য; ২. ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং ৩. রাষ্ট্র ও সমাজের সব স্তরে প্রকৃত ও জবাবদিহিমূলক জনপ্রতিনিধিদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা। এটি সম্ভব একটি সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করতে চাই।